
ডেস্ক :
খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন সোনাডাঙ্গা দ্বিতীয় ফেজ এলাকায় গৃহপরিচারিকাকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য—সোনাডাঙ্গা থানার এএসআই পপি রানী সাহা ও তাঁর স্বামী একই থানায় কর্মরত এএসআই সঞ্জয় কুমার সরকারকে গ্রেফতার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত গৃহপরিচারিকা মিলন চন্দ্র দাস (২০) বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সোনাডাঙ্গা দ্বিতীয় ফেজ এলাকার ৪১৪ নম্বর বাড়ির ৬ নম্বর সড়কে অবস্থিত নিজ বাসভবনে কর্মরত গৃহপরিচারিকা মিলন চন্দ্র দাসকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন অভিযুক্তরা। মিলনের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। তিনি ওকিল চন্দ্র দাসের সন্তান।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে ভিকটিমের মা মিনতী রানী দাস বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং-২০, তারিখ ১৮ জুন ২০২৬। মামলায় এএসআই পপি রানী সাহা ও এএসআই সঞ্জয় কুমার সরকারকে আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩৪৪, ৩২৩, ৩২৫ ও ৫০৬ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।সোনাডাঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এসআই হাসানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার দেখিয়ে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এর আগে বুধবার ঘটনার পর সোনাডাঙ্গা থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম আহত মিলনকে উদ্ধার করে প্রথমে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যান। পরে ওই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালের সার্জারি ৯/১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, “ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে।”
